আজ- বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১     

 আজ -বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪  | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ৬ই জিলহজ, ১৪৪৫                                                   সকাল ৭:৫৪ - মিনিট |

 

Homeগ্রাম-বাংলাসোনাইমুড়িতে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ ভাংচুর-সম্মেলন পন্ড-আহত ৮

সোনাইমুড়িতে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ-ককটেল বিস্ফোরণ ভাংচুর-সম্মেলন পন্ড-আহত ৮

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ-ককটেল বিষ্ফোরণ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮জন আহত হয়। সম্মেলন পন্ড হয়ে যায়। এই ঘটনায় জয়াগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহŸায়ক হাফিজ তানবির, যুগ্ম আহŸায়ক আব্দুর রহিম, ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন বাবু ও জয়াগ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ সভাপতি রাব্বি সহ আরো ৪ জন আহত হয়। রোববার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার জয়াগ কলেজে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ০৯ বছর পর রোববার সোনাইমুড়ী উপজেলার ১নং জয়াগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সকালে সোনাইমুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের ও সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাবুল বাবু জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সূচনা করেন। পরে সম্মেলন স্থলে নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহীম, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম, সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার রুহুল আমিন ও সোনাইমুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রধান স্বমনয়ক ফুয়াদ হোসেন আসেন। এরপর তারা সম্মেলন মঞ্চে যোগ না দিয়ে জয়াগ কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে শিক্ষক মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা প্রবেশ করে অতিথিদের সম্মেলন মঞ্চে যোগদান করার আহ্বান জানান। তখন সম্মেলনে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি আসার আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করার কারণ জানতে চাইলে এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৭/৮জন আহত হয় ও অনেক চেয়ার-টেবিল ভাংচুর হয়। এসময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা পুলিশ ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনেই ককটেল বিস্ফেরণ ও ভাংচুর চালায়। এতে নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম বাকের সম্মেলন পন্ড হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সম্মেলনে জাতীয় বা দলীয় পতাকা উত্তোলন করার ক্ষমতা হলো আমার (সভাপতির)।  প্রধান অতিথি বা বিশেষ অতিথি কেন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সংশ্লিষ্ট জেলা, থানা, ইউনিয়ন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। অতিথিরা জাতীয় পতাকা বা দলীয় পতাকা উত্তোলনের কোন বাধ্যবাদকতা নেই।

 

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশীদ দুই পক্ষের সংঘষের্র কারণে সম্মেলন স্থগিত হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন।

 

রিলেটেড আর্টিকেল

14 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

রিসেন্ট কমেন্টস

MiclNop on